ঢাকা , শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬ , ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদের আগেই বাড়ছে ফেরি, হাতিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের আভাস প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়া করে মোবাইল টাওয়ারে চড়লেন তরুণী! পরতে হবে একটি হেডব্যান্ড, তাতেই ধরা পড়বে স্ট্রোকের ঝুঁকি! ফ্লোরিডার কোরাল স্প্রিংসে নিজ বাড়িতে ভাইস মেয়র খুন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য, যোগ হয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার নতুন চাকরি রোববার থেকে যে ৩০ উপজেলায় দেয়া হবে হামের টিকা আবারও আটক হচ্ছেন ট্রাম্পের নীতিতে বিচ্ছিন্ন অভিবাসী পরিবারগুলো হাম রোগের চিকিৎসার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিতে রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক তহবিল সংগ্রহের নামে অর্থ আদায়: যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম মসজিদের সভাপতি গ্রেপ্তার রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ২০০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভার আহ্বান‌ ফুটবল খেলার মাইকিং নিয়ে ৪ গ্রামবাসীর দফায় দফায় সংঘর্ষ মিয়ানমারে পাচারকালে বিপুল ডিজেলসহ আটক ১২ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুয়োয় পড়ল গাড়ি! ৬ শিশু-সহ নিহত ৯ ১১ মাসের অপেক্ষার অবসান: সীমান্তে আটক আজিজুর ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি তরুণী নিশাতের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটিত যুক্তরাষ্ট্রে আইসিই'র অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া অভিবাসীদের ৪১ শতাংশই নিরপরাধ রাসিক প্রশাসকের সাথে সাবেক এমপি ও ইউনিসেফ প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ চারঘাটে বিপুল পরিমান ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স জব্দ, পলাতক দুই কারবারি চারঘাটে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারি গ্রেফতার, একজন পলাতক চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকে অভিনব কৌশলে গাঁজা পাচার, ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার

তহবিল সংগ্রহের নামে অর্থ আদায়: যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম মসজিদের সভাপতি গ্রেপ্তার

  • আপলোড সময় : ০৪-০৪-২০২৬ ০১:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৪-২০২৬ ০১:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন
তহবিল সংগ্রহের নামে অর্থ আদায়: যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম মসজিদের সভাপতি গ্রেপ্তার তহবিল সংগ্রহের নামে অর্থ আদায়: যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম মসজিদের সভাপতি গ্রেপ্তার
যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম ইসলামিক মসজিদের সভাপতি সালাহ সারসুর-কে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গ্রেপ্তার করার পর তিনি এখন ফেডারেল হেফাজতে রয়েছেন এবং বহিষ্কারের মুখোমুখি হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনকে অর্থায়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।

৫৩ বছর বয়সী সারসুর, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা, তাকে স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) একদিকে ফিলিস্তিনি কমিউনিটি নেতা, অন্যদিকে 'সন্ত্রাস' হিসেবে বর্ণনা করেছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য অভিবাসন ফরমে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।

গত ৩০ মার্চ উইসকনসিনের মিলওয়াকি শহরে একটি লক্ষ্যভিত্তিক অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মিলওয়াকির ইসলামিক সোসাইটি-এর স্বেচ্ছাসেবী সভাপতি হিসেবে কাজ করছিলেন এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ওই এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। তিনি একজন ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতা হিসেবেও পরিচিত।

ডিএইচএস-এর জনসংযোগবিষয়ক সহকারী সচিব লরেন বিস দাবি করেন, সারসুর ইসরায়েলি সামরিক সদস্যদের বাড়িতে মলোটভ ককটেল নিক্ষেপের অপরাধে দণ্ডিত হয়েছিলেন এবং তার গ্রিন কার্ড আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।

ডিএইচএস জানায়, ইসরায়েলে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে দণ্ড এবং অবৈধভাবে অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার চেষ্টার কারণে তাকে প্রথমে অভিবাসন ভিসা দেওয়া হয়নি।

তবে স্থানীয় কর্মকর্তারা, বিশেষ করে মিলওয়াকির মেয়র ক্যাভালিয়ার জনসন, এই গ্রেপ্তারের সমালোচনা করেছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, 'তার বিরুদ্ধে কোনো গুরুতর অপরাধের প্রমাণ নেই। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের ক্ষমতার অপব্যবহারের আরেকটি উদাহরণ।'

মিলওয়াকি কাউন্টির নির্বাহী ডেভিড ক্রাউলি বলেন, এই গ্রেপ্তার মুসলিম ও অভিবাসী কমিউনিটির প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে। তিনি মন্তব্য করেন, “ভয় ও উদ্বেগের সময়ে এই পদক্ষেপ বিভাজন আরও বাড়িয়ে তুলবে।

এক বিবৃতিতে ইসলামিক সোসাইটি অব মিলওয়াকি দাবি করেছে, কিশোর বয়সে সারসুর ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ে নির্যাতনের শিকার হন এবং পরে একটি সামরিক আদালতে ‘ভুয়া অভিযোগে’ দণ্ডিত হন।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি জানায়, সারসুর ১৯৯৩ সালে শর্তসাপেক্ষ বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং ১৯৯৮ সালে গ্রিন কার্ড পান। তবে তার আবেদনপত্রে ঠিক কোন তথ্য মিথ্যা ছিল, তা স্পষ্ট করেনি ডিএইচএস।

ডিএইচএস এক বিবৃতিতে বলে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আইসিই-এর কারণে এই ‘সন্ত্রাসী’ এখন আমেরিকার কমিউনিটি থেকে দূরে। তারা আরও জানায়, আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের অগ্রাধিকার।

সারসুরের আইনজীবী মুনজেদ আহমেদ জানান, তার মক্কেল পশ্চিম তীরের বাসিন্দা এবং যুক্তরাষ্ট্রে তার কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই। তিনি বলেন, সরকার সারসুরের অতীত সম্পর্কে আগে থেকেই জানত এবং এখন তাকে টার্গেট করা হচ্ছে।

একটি অনলাইন তহবিল সংগ্রহ উদ্যোগের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত ১ লাখ ১০ হাজার ডলারের বেশি সংগ্রহ হয়েছে। এতে বলা হয়, বাড়ি থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরই গাড়ি থামিয়ে প্রায় ১০ জন আইসিই কর্মকর্তা সারসুরকে আটক করেন। পরে তাকে শিকাগোর একটি প্রসেসিং সেন্টারে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে ইন্ডিয়ানার একটি ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়।

ডিএইচএস জানিয়েছে, বহিষ্কার সংক্রান্ত শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সারসুর আইসিই হেফাজতেই থাকবেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হাম রোগের চিকিৎসার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিতে রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

হাম রোগের চিকিৎসার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিতে রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক